গতকাল মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের আন্তর্জাতিকে বাংলাদেশি পেসার শরিফুল ইসলাম দেখিয়েছেন তার প্রকৃত ‘বাস্তব তৃষ্ণা’। তার ছয় উইকেটের কল্যানেই ম্যাচটি হয়ে উঠেছিল আগের থেকে অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
শরিফুল এর আগেও সুযোগের জন্য অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু এবার কিভাবে তিনিও পাল্টে গেলেন! প্রথম দুই ম্যাচে তাকে দেখা যায়নি, যেখানে বাংলাদেশ ধারাবাহিক দুইটি জয়ে সিরিজটি পকেটে পুরে ফেলেছিল। তবে, টিকিট নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ টাইগাররা একদিনের জন্য তাদের সুদৃঢ় পেসার নাহিদ রানা বিশ্রাম দিয়েছিলেন এবং সেখানে শরিফুল সুযোগটি সঠিকভাবে কাজে লাগান। এই ম্যাচে তার প্রথম পাঁচ উইকেটের সংগ্রহও ছিল এক উল্লেখযোগ্য অর্জন।
এটি শেষ পর্যন্ত একটি যুদ্ধে পরিণত হলে, অস্ট্রেলিয়া এক উইকেটের স্যাঁতসেঁতে জয়ে নির্বাচিত হয়, যা তাদের জন্য ২০১৪ এর পর প্রথম বিজয়। কিন্তুর শরিফুল অস্ট্রেলিয়াদের জন্য এটা সহজ ছিল না।
তিনি প্রথম ওভারে বোলিং শুরু করে অধিনায়ক জশ ইংলিস এবং তিন নম্বর ব্যাটসম্যান ম্যাট রেনশ প্রয়োগ করেন। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং দীর্ঘ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা এনে দেয়। পরবর্তীতে তিনি মার্নাস লাবুশেনকে আউট করে দেন, যা ৬৪ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ ভেঙে যায়।
এই ইনিংসের শেষভাগে আবার শরিফুল ফিরে আসেন এবং তিন উইকেট মূল্যের ছিল। অস্ট্রেলিয়া তখন পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৫ ওভারে জয়ের জন্য ৯ রান প্রয়োজন ছিল। হঠাৎ চাপবোধ করতে শুরু করে।
শরিফুলের এই দুর্দান্ত বোলিং নিয়ে স্ট্যান্ড-ইন অধিনায়ক নাইমুল হোসেন শান্ত বলেন,
“শরিফুলের নতুন বলের সাথে বোলিং দেখাটা খুবই ভালো ছিল… আমি উনি যেভাবে বোলিং করলো, সে দিকে আমি খুশি এবং আশা রাখি সে এই ফর্ম ধরে রাখবে।”
শান্ত আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের পেস ইউনিটের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যময় প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে, যা এই বছরে আরও শক্তিশালী হয়েছে। টাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, এবং নাহিদ সহ, ODIs-এ তারা প্রত্যেকে শীর্ষ উইকেট টেকার হিসেবে রয়েছেন।
শান্ত বলেন,
“আমরা এই ধরনের প্রতিযোগিতার প্রয়োজন, কারণ এটি আমাদের বোলিং ইউনিটকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।”
👉 এখনই বোনাস নিন
