পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের শেষ দিন, বাংলাদেশ দলের কাছে ছিল চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি। বাংলাদেশ দল এ বছর পর্যন্ত তৃতীয় ইনিংসের ১৩ বার ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শাহতর মতে, তার বোলিং ইউনিটের সামর্থ্যই এ সাহসী ঘোষণার পেছনের কারণ।
“আমি মনে করি, এ ধরনের সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি,” বলেন শান্ত। “আমার মনে হয় টেস্ট দল ধীরে ধীরে একটু বড় হচ্ছে, তাই আমরা এ সিদ্ধান্তটি (ইনিং ঘোষণা) নিতে পেরেছি। আমি মনে করি এ সিদ্ধান্ত আগামী ভবিষ্যতে আমাদের জন্য সহায়ক হবে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আমাদের বোলিং আক্রমণ, যারা ম্যাচে ভালো বোলিং করেছে।”
বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানকে দ্রুত আউট করা। তেজী mindset নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। শান্ত বলেছিলেন,
“বিকাল চা বিরতির পর কোচ ফিল সিমন্স আমাদের বার্তা দিলেন যে আমরা ম্যাচটি জিততে চাই। আমরা হারে চিন্তাভাবনা করিনি, বরং পাকিস্তানকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলতে চেয়েছি।”
শান্ত ইনিং ঘোষণার সময়ে মাঠে ছিলেন এবং বলের অবস্থান সম্পর্কে একটি অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
“যখন ম্যাচের পরিস্থিতি সংকটাপন্ন ছিল, তখন আমি ধারাবাহিকভাবে বিশ্বাস রাখছিলাম যে আমরা তাদের রান কিভাবে আটকাতে পারি। নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য এখানে খেলা সবসময়ই কঠিন।”
একজন সাধারণ স্লিপ ফিল্ডার হিসেবে শান্ত মাঠে থাকাকালীন টাস্কিন আহাম্মেদ, এবাদত হোসেন এবং নাহিদ রানা’র সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায়। সৌদ শাকিলের আউট হওয়ার আগে, শান্ত জানিয়েছিলেন যে তিনি রানার সাথে আলোচনা করেছিলেন।
“আমি তার উন্নতির জন্য তাকে তাঁর মতোই বোলিং করতে দিতে চাই,” বলেন শান্ত।
বাংলাদেশের জন্য একটি দারুণ ইনিংস হলেও শান্ত মনে করেন যে প্রথম ইনিংসে তিনি আরো বড় স্কোর করতে পারতেন।
“প্রথম ইনিংসে আমি খুব ভালো খেলছিলাম, তবে উইকেট চ্যালেঞ্জিং ছিল। পরে স্কোরটি আরও বড় হতে পারতো,” বলেন শান্ত, যিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করেছেন।
একজন দক্ষ ব্যাটসম্যান হিসেবে শান্ত টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি ও ফিফটি করার লক্ষ্য করছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ তাদের সমস্ত কিছু দিয়ে লড়াই করেছে, যা আগামীদিনের জন্য আশাব্যঞ্জক।
👉 এখনই বোনাস নিন
