ভারতের কৃষকদের জন্য চলমান সার বিলের কারণে সরকারী ভর্তুকি ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, যা গত কয়েক দশক ধরে খাদ্য আমদানিকারক দেশের অবস্থান থেকে কৃষি শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইউরিয়া ব্যবহারের জন্য ভারত সরকারের সহায়তা রয়েছে, যা বাজারমূল্যের তুলনায় মূল্যের তারতম্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে অর্থনৈতিকভাবে সমর্থন করে। কিন্তু বর্তমান শ্রীলঙ্কা যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সার ও জ্বালানির পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় ভারতের ইউরিয়া সংগ্রহের খরচ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় গ্যাসের মালবাহী কমে গেছে। এর ফলে ভর্তুকির খরচ বেড়ে গেছে এবং এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে বৃদ্ধির কারণে রুপি দক্ষিণ এশিয়ার খারাপ কার্যকরী মুদ্রাগুলোর মধ্যে পড়েছে।
সরকারের পদক্ষেপ ও কৃষকদের উদ্বেগ
সার মূল্য কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং নতুন প্রক্রিয়া পরিকল্পনা চলছে, কিন্তু আর্থিক ক্ষতি ইতোমধ্যে দেশটিতে একটি সরকারি প্রচেষ্টার সূচনা করেছে, যা কৃষকদের জন্য একটি সংবেদনশীল বিষয়। সরকার কৃষকদের মধ্যে দীর্ঘায়িতভাবে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরতে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ব্যবহারে কাটছাঁটের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন।
ফসল কাটার সময় এবং ফলনের উদ্বেগ
ভারত বর্তমানে বছরের সবচেয়ে বড় ফসল উৎপাদনের সময়ে রয়েছে। তবে কৃষকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের চলমান অভ্যাস পরিবর্তনের তেমন আগ্রহ নেই, এবং মধ্যপ্রাচ্যের সারের প্রবাহগুলি স্বাভাবিক না হওয়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে সহযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এটি জাতীয় উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং বাড়িতে খাদ্য মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য দেশে ভারতীয় চাল ও সবজির উপর নির্ভরশীলতাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
“যদি হরমুজ প্রণালীর সংক্রান্ত বাধাগুলি চলতে থাকে, তবে উদ্বেগ কেবল সার সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংকটময় সময়ে সময়মতো পাওয়া যায় কিনা,” বলেছেন আন্তর্জাতিক সার সংস্থার বাজার বিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক।
ভারতের ইউরিয়া ভর্তুকির নীতি ১৯৬০ এর খাদ্য সঙ্কটের পর শুরু হয়েছিল, যখন সরকার সবুজ বিপ্লব গ্রহণ করে খাদ্য আমদানির উপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করে। সস্তা নাইট্রোজেন সার ওবাধ্যপূর্বক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে, ফলে সরকার ইউরিয়ার দাম স্থির করে।
এই নীতির ফলে ভারত খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়েছে, যা বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর চাল রপ্তানিকারক। কিন্তু এটি রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেহেতু খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
👉 এখনই বোনাস নিন
