সর্বভারতীয় সরকার আবাসন ও শহুরে বিষয়ক মন্ত্রণালয় (MoHUA) পুনর্গঠন করেছে, যার ফলে দুটি পৃথক বিভাগ, “রাজধানী উন্নয়ন বিভাগ” এবং “শহুরে উন্নয়ন বিভাগ” তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বৃহস্পতিবার একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

নতুন কাঠামোর অধীনে, রাজধানী উন্নয়ন বিভাগ দিল্লি ও কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যাবলি পরিচালনা করবে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (CPWD), দিল্লি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (DDA), দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC), সরকারী সম্পত্তি, কেন্দ্রীয় সরকারের ভবন, জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (NCR) তৈরী ও উন্নয়ন এবং ভূমি অধিগ্রহণ অন্তর্ভুক্ত।

নতুনভাবে গঠিত শহুরে উন্নয়ন বিভাগ জাতীয় শহুরে নীতি, আবাসন, শহুরে পরিবহন পরিকল্পনা, জল সরবরাহ, স্যানিটেশন, জলবায়ু অভিযোজন এবং শহুরে দরিদ্রতা দূরীকরণ কর্মসূচির জন্য দায়ী হবে। বিভাগটি AMRUT, স্বচ্ছ ভারত মিশন (শহর), PM আবাস যোজনী–শহর এবং PM SVANidhi-এর মতো বিশেষ প্রকল্পগুলির তত্ত্বাবধান করবে।

এছাড়াও, এই বিভাগটি ভূমি আইন সম্পর্কিত প্রধান আইনগুলো যেমন রিয়েল এস্টেট (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ২০১৬ (RERA) এবং স্ট্রিট ভেন্ডার (জীবিকা রক্ষার ও স্ট্রিট ভেন্ডিং নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৪ পরিচালনা করবে।

একটি ভিন্ন সংশোধনে, সরকার ভারত সরকারের স্টেশনারি, প্রিন্টিং এবং সরকারি প্রকাশনাসমূহের দায়িত্ব তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপর অর্পণ করেছে।

পুনর্গঠনের প্রভাব

এই পুনর্গঠনটি শহুরে উন্নয়ন ও আবাসন নীতির বিস্তারের সাথে জাতীয় রাজধানী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অবকাঠামোর প্রশাসনকে পৃথক করার বিষয়টি নিয়ে এসেছে, এভাবে দেশের আঞ্চলিক উন্নয়নকে আরও গভীরভাবে কাজে লাগানো যাবে। উভয় বিভাগই আবাসন ও শহুরে বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে, তবে তাদের কার্যাবলি বিভক্ত হবে।

📈 অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও JB7-এ নিশ্চিত বিনোদন এবং সেরা অফার উপভোগ করুন!
👉 এখনই বোনাস নিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

🔥 স্পন্সর সাইট JB7-এ খেলুন, নাহলে এডমিনের ভাত জুটবে না 🥺